পোস্টগুলি

আবার ও পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্ৰহাণু আগামীকালই আসবে পৃথিবীর একেবারে কাছে

ছবি
      ধেয়ে আসছে গ্ৰহাণু গত মাসেই পৃথিবীর খুব পাশ দিয়ে চলে গেছে ভয়ঙ্কর গ্রহাণু। তবে সেটি পৃথিবীর কোনও ক্ষতি না করলেও আবারও পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে আরেক গ্রহাণু । ১ হাজার ১৭ ফুটের গ্রহাণুটি বুধবার (২৪ জুন) পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নাসা বলছে, এই গ্রহাণুটিকে চিহ্নিত করতে নাম দেয়া হয়েছে অ্যাস্টেরয়েড ৪৪১৯৮৭ (২০১০ এনওয়াই৬৫) । বিশাল এই উল্কাখণ্ড পৃথিবী থেকে ২.৩ মিলিয়ন মাইল দূর দিয়ে যাবে। তবে দূরত্ব বেশি হলেও আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না বিজ্ঞানীরা।  একে ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ বলেও কেউ কেউ উল্লেখ্য করছেন। কারণ- নাসার তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর ৪.৬৫ মিলিয়ন দূরত্বের ভেতরে থাকা যেকোনো গ্রহাণু বিপদের কারণ হতে পারে।  গ্রহাণুটি প্রবল বেগে পৃথিবীর দিকে আসছে, যার গতি ঘণ্টায় ২৮ হাজার মাইল।  ২০১৩ সালে রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক শহরের আকাশে যে উল্কাপাত হয় এটি তার চেয়ে ১৫ গুণ বড়! ওই ঘটনায় শহরটির অনেক জানালা গুড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ১ হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। এই গ্রহাণুর কারণে পৃথিবীর কোনো ক্ষতি হবে না পৃথিবী থেকে এটা অনেকটাই দূর দিয়ে যাবে। ...

ধেয়ে আসছে দু হাজার মাইল দীর্ঘ ধূলো ঝড় সর্তক করে দিল NASA

ছবি
। আফ্রিকার উপকূল থেকে প্রতিবছরই সাহারা মরুভূমির ধুলো ঝড় এসে মানুষের অনেক ক্ষতি করে । সেই মত এই বছরে ও ধূলো ঝড়ের আগমন হয়েছে । কিন্তু এই বছর সেই ধূলো ঝড়টা আরও ভয়ানক হতে চলেছে।  সম্প্রতি নাসার একটি উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ দু হাজার মাইল লম্বা এক ধুলোর ঝড় ধেয়ে আসছে। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ওপরে সেই ধুলোর ঝড় আপাতত অবস্থান করছে। কিন্তু এর লেজের অংশ এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে যদি সত্যিই এটি সাগর পেরিয়ে এসে পড়ে, তাহলে এর আকার হতে পারে প্রায় পাঁচ হাজার মাইল। একটি বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থার আধিকারিক জানিয়েছেন, এ এক অবিশ্বাস্য রকমের ধুলোর ঝড় আসছে।  আবহাওয়া সংস্থার দাবি , ‘‌প্রায় একসপ্তাহ আগে উপগ্রহ চিত্রে প্রথম ধরা পড়ে যে আফ্রিকার উপকূল থেকে ধুলোর ঝড় আসতে শুরু করেছে। কিন্তু সেই সময়টা প্রায় একসপ্তাহ আগে। এখনও সেই ঝড়ের শেষ অংশ উপকূলেই রয়েছে। তার মানে এটি আকারে মারাত্মক বড়। এভাবে যদি এর গতিপথ থাকে, তাহলে এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অংশে তাণ্ডব চালাতে পারে। বিশেষত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন সেই মানুষেরা, যাঁদের নিঃশ্বাসের কষ্ট রয়েছে। সাধারণত, মরু অঞ্চলের উষ্ণ বায়ু দ্রুত গতিতে ধুলো ও...

রাজস্থানে আঘাত আনলো উল্কার ধাতব খন্ড?

ছবি
            ধাতব উল্কা  হঠাৎ শব্দ এমন শব্দে রীতিমত অবাক হয়েযান সাধারণ মানুষ। কীসের শব্দ এটি…! অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে খোঁজ করতে শুরু করে। চোখে পড়ে বিশাল একটি গর্তের। স্থানীয় মানুষজন জানাচ্ছেন, মাটির মধ্যে বিরাট গর্ত তৈরি করে পড়ে রয়েছে ধাতব একটি বস্তু। আর তা থেকে বের হচ্ছে ধোঁয়া।  হঠাত এমন দৃশ্যে রীতিমত চমকে উঠেছেন রাজস্থানের জালোর জেলার সাঞ্চোরের বাসিন্দারা। স্থানীয় মানুষজন জানিয়েছেন, বিশাল আকার এই ধাতববস্তুটি আকাশ থেকে উড়ে এসে পড়েছে। আর তাঁর গতিবেগ এতটাই ছিল যে মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশাল গর্ত হয়ে যায়। ধাতব বস্তুটা একেবারে ঢুকে যায় ভিতরে। ধাতুর বস্তুটি প্রচণ্ড গরম ছিল। তার আঘাতে মাটিতে ৪-৫ ফুট গর্ত হয়ে যায়। কিন্তুু আকাশ থেকে উড়ে এসেছে পড়েছে রহস্যময় বস্তু! এই খবর গোটা জেলাতে চাউর হতেই তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়ে যায়। বহু মানুষ জন জোড়ো হন। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। জানা গিয়েছে, ধাতব গোলাকার বস্তুটি পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছে। প্রায় ২ কিলো ৮০০ গ্রাম ওজনের হবে বস্তুটি। আপাতত সেটিকে একটি ঠান্ডা জলের পাত্রে রেখে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে যান জোধপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বি...

ওড়িশার পর অন্ধ্রপ্রদেশে বালি খুঁড়তেই জেগে উঠলো মন্দির

ছবি
ওড়িশার পর অন্ধ্রপ্রদেশে মঙ্গলবার নদীগর্ভে বালি সরাতেই প্রাচীন নাগেশ্বর মন্দিরের একাংশ জেগে ওঠে  । তবে সম্পূর্ণ মন্দির এখনও উদ্ধার করা যায়নি খনন কাজ চলছে । অন্ধ্রপ্রদেশের চেরজালা মন্ডলে পেনা নদীতে বালির মধ্যে ডুবেছিল এই সুপ্রাচীন মন্দির । স্থানীয়দের দাবি , কয়েক প্রজন্ম আগেও মন্দিরের অস্তিত্বের কথা লোক মুখে শোনা যেত । কিন্তু এরপর তা ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বালির তলায় চলে যায় । বহুদিন ধরে তাই মন্দির উদ্ধারের জন্য বালি খননের কথা চলছিল । সেইমতোই গ্রামবাসীরা টাকা জমিয়ে বালি তুলতে শুরু করেন । আর তাতেই নদীগর্ভ থেকে জেগে ওঠে মন্দির ।  মন্দিরের চূড়া পর্যন্ত খুঁড়তে , প্রায় এক দিন লেগেছে  স্থানীয়দের দাবি, পরশুরামের ১০১টি শিবমন্দিরের মধ্যে এটি অন্যতম । আর্কিওলজির সহ অধিকর্তা রামাসুব্বা রেড্ডি জানিয়েছেন, ২০০ বছর আগে এই শিবমন্দির খুবই জনপ্রিয় ছিল । ১৮৫০ সালের ভয়াবহ বন্যায় সেটি নদীগর্ভে তলিয়ে যায় । জলের তলায় চলে যাওয়ার পরে ও মানুষের মন থেকে এই মন্দির একে বারে চলে যায়নি।  এ দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা , এই মন্দিরটি নতুন করে প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী । কিন্তু কোথায় তা করা হবে...

আগামী রবিবার দেখা যাবে মহাজাগতিক দৃশ্য 'রিং অফ ফায়ার'

ছবি
২০২০ সালে ২১ জুন হতে চলেছে বছরের প্রথম সূর্য গ্ৰহণ। ওই দিন বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণের (Solar Eclipse) সাক্ষী থাকবে দেশ। এই সূর্যগ্রহণকে বলয়গ্রাস গ্রহণ বলে । আগামী রবিবার সূর্যকে ঢেকে দেবে চাঁদ। আর চাঁদের আড়াল থেকে সূর্যের যে অংশটি দেখা যাবে তাকে অনেকটা আগুনের আংটির মতো দেখতে লাগবে একে রিংঅফ ফায়ার ও বলা হয়। বার্ষিক এই সূর্যগ্রহণ ভারতে দেখা যাবে সকাল ১০টা নাগাদ রাজস্থানের ঘারসানা থেকে এবং সকাল ১১:৪৯ মিনিট থেকে শুরু হয়ে সকাল ১১:৫০ মিনিট পর্যন্ত এই ১ মিনিট সময় প্রায় পুরোটাই চাঁদের আড়ালে থাকবে সূর্য। রাজস্থানের সুরতগড় ও অনুপগড়, হরিয়ানায় সিরসা, রতিয়া এবং কুরুক্ষেত্র এবং উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন, চম্বা, চামোলি এবং জোশীমঠের মতো জায়গা থেকে মিনিট খানেকের জন্য আকাশে ওই মহাজাগতিক ঘটনাটি দেখা যাবে। উত্তর ভারতের পাশাপাশি গ্রহণ দেখতে পাবেন কলকাতার (Kolkata) বাসিন্দারাও, কলকাতা থেকেও দেখা যাবে "আগুনের আংটি" (Ring of Fire)। তবে সূর্যগ্রহণের সময় কোনওভাবেই যাতে আকাশের দিকে খালি চোখে না তাকানো হয় সে ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছে স্বয়ং নাসা এই ব্যাপারে সতর্ক করেছে।  এর আগে ২০১৯-এর ২৬ ডিসেম্বর শে...