পোস্টগুলি

চাঁদে টয়লেটের ডিজাইন করে দিলেই পেয়ে যাবেন গরম গরম ২৬ লক্ষ্য টাকা!

ছবি
নাসা চাঁদে বানাবে টয়লেট ২০২৪ সালেই চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। প্রথমে এক মহিলা মহাকাশ বিজ্ঞানী এবং পরে একজন পুরুষ চাঁদে যাবেন বলে ঠিক হয়ে আছে। কিন্তু চাঁদে কেমন হবে কমোডের প্যান? এই চিন্তায় রাতের ঘুম উড়েছে নাসার বিজ্ঞানীদের। আর আপনি যদি এই সমস্যার নিরসন করতে পারেন, তবে হাতে গরম পেয়ে যাবেন ২৬ লাখ টাকা পুরস্কার। হ্যাঁ ঠিকই পড়ছেন, চাঁদের মাটির জন্য সঠিক টয়লেটের ডিজাইন করে দিতে পারলেই মিলবে এই বিপুল অঙ্কের অর্থ।  সম্প্রতি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা টয়লেটের ডিজাইন চেয়েছে বিশ্ববাসীর কাছে। যা ভবিষ্যতে চাঁদের জমিতে তৈরি বাড়িতে রাখা হবে। প্রথম পুরস্কার ২০ হাজার ডলার, দ্বিতীয় ১০ হাজার ও তৃতীয় পুরস্কার ৫ হাজার মার্কিন ডলার। নাসার বক্তব্য, এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য মানুষের বর্জ্য কীভাবে সংরক্ষণ করে তাকে অন্য কাজে লাগানো যায় সেটা নিয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা প্রচার। উল্লেখ্য মহাকাশে উপস্থিত মহাকাশ যানে থাকা টয়লেটগুলি সামান্য মহাকর্ষ শক্তি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই ধরনের টয়লেটগুলি চাঁদের মাটিতে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। কারণ চাঁদের মধ্যাকর্ষণ...

সামান্য ভূমিকম্পেই কোলকাতা চলে যেতে পারে মাটির তলায়

ছবি
    সামান্য ভূমিকম্পেই কি কলকাতার হাল হতে পারে ভূজের মত? বিস্তারিত জানালেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওলজিক্যাল সায়েন্সের অধ্যাপক সুবীর মুখোপাধ্যায়। প্রতিদিন ৫০ বার কেঁপে ওঠে পৃথিবী। কিন্তু আমরা তার কিছুই টের পাই না। সারা বছরে ১৭ হাজারের উপর ভূমিকম্প হচ্ছে তার মধ্যে গড়ে ১৬ থেকে ১৮টা কম্পন ভয়ংকর রূপ নেয়। অর্থাত্‍ রিখটার স্কেলে এই কম্পনমাত্রা ৭-এর উপরে থাকলে তবেই তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তবে কোনও বছর এর থেকে বেশিও হতে পারে। যেমন ২০১০ সালেই ২৪টা ভয়ংকর ভূমিকম্প হয়েছিল।  এখানেই শেষ নয়, কম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে আটের বেশি হলেই তা অতি ভয়ংকর হয়ে ওঠে। তবে কলকাতার জন্য অতটাও প্রয়োজন নেই। সম্প্রতি গুজরাত (Gujrat) ৫.৫ কম্পনমাত্রায় কেঁপে উঠেছে। এটুকু হলেই ২০০১-এর ভুজের থেকেও খারাপ হাল হবে তিলোত্তমার। এর প্রধান কারণ কলকাতার পরিকল্পনাহীন উন্নয়ন। মাটির তলাটা পুরো ফোঁপরা হয়ে রয়েছে। সিসমোলজিক্যাল মাইক্রোজোনেশন ম্যাপ তৈরি করেছে আইআইটি খড়গপুর। সেখানেই দেখা গিয়েছে এ শহরে ভূগর্ভের জলস্তর অনেক উপরে। সামান্য নিচে রয়েছে নরম পলিমাটি। ভূমিকম্পে মাটির তলায় ঢুকে যেতে পারে পূর্ব কলকাতার বিস্তীর্ণ অং...

নেপচুনের উপগ্ৰহ ট্রাইটন থেকে কেনো বের হচ্ছে বরফের ছটা? উত্তর খুঁজতে গবেষণায় নামছে 'NASA'

ছবি
।। নেপচুনের উপগ্ৰহ ট্রাইটন।। গবেষণায় নামতে চলেছে নাসা।। সৌরজগতে যে কটি গ্রহ রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে দূরে রয়েছে নেপচুন। আর এই নেপচুনের উপগ্রহকে নিয়েই এবার গবেষণা করতে চলেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা। নেপচুনের উপগ্রহ ট্রাইটনের ভূপ্রকৃতি, কোনো সমুদ্র, বা জলের কোনো অস্তিত্ব আছে কিনা এছাড়াও নেপচুনের এই উপগ্ৰহ থেকে বরফের ছটা কেনো বের হচ্ছে সেগুলো নিয়ে গবেষণা করতে চাইছে NASA । সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৫ সালেই টাইট্রনের উদ্দেশে মহাকাশ যান পাঠাবে নাসা। সৌরজগতে সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে রয়েছে নেপচুন। এই গ্রহের একটি উপগ্রহ ট্রাইটন। এই উপগ্রহটি সম্পর্কে জানতে আজ থেকে ৩০ বছর আগে নাসা গবেষণার জন্য একটি মহাকাশ যান পাঠিয়েছিলো। মহাকাশ যান ভয়েজেস ২ দিয়ে উপগ্রহটির ৪০ শতাংশ ছবি তোলা সম্ভব হয়েছিল। এবার আবার ও নতুন কিছু অজানা তথ্য পেতে নাসাকে ‘ট্রাইডেন্ট’ মিশন লঞ্চ করতে চলেছে।  পুরো উপগ্রহের উপরিভাগে কী কী আছে, কোনো সমুদ্র আছে কিনা ও ভূমি থেকে বরফের ছটা কেনো বের হচ্ছে সেগুলো নিয়ে গবেষণা করতে চাই নাসা।  উপগ্রহটিতে কেনো বরফের ছটা বের হচ্ছে সে প্রশ্নটিই গবেষকদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ সূর্যে...

আবার ও পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্ৰহাণু আগামীকালই আসবে পৃথিবীর একেবারে কাছে

ছবি
      ধেয়ে আসছে গ্ৰহাণু গত মাসেই পৃথিবীর খুব পাশ দিয়ে চলে গেছে ভয়ঙ্কর গ্রহাণু। তবে সেটি পৃথিবীর কোনও ক্ষতি না করলেও আবারও পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে আরেক গ্রহাণু । ১ হাজার ১৭ ফুটের গ্রহাণুটি বুধবার (২৪ জুন) পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নাসা বলছে, এই গ্রহাণুটিকে চিহ্নিত করতে নাম দেয়া হয়েছে অ্যাস্টেরয়েড ৪৪১৯৮৭ (২০১০ এনওয়াই৬৫) । বিশাল এই উল্কাখণ্ড পৃথিবী থেকে ২.৩ মিলিয়ন মাইল দূর দিয়ে যাবে। তবে দূরত্ব বেশি হলেও আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না বিজ্ঞানীরা।  একে ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ বলেও কেউ কেউ উল্লেখ্য করছেন। কারণ- নাসার তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর ৪.৬৫ মিলিয়ন দূরত্বের ভেতরে থাকা যেকোনো গ্রহাণু বিপদের কারণ হতে পারে।  গ্রহাণুটি প্রবল বেগে পৃথিবীর দিকে আসছে, যার গতি ঘণ্টায় ২৮ হাজার মাইল।  ২০১৩ সালে রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক শহরের আকাশে যে উল্কাপাত হয় এটি তার চেয়ে ১৫ গুণ বড়! ওই ঘটনায় শহরটির অনেক জানালা গুড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ১ হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। এই গ্রহাণুর কারণে পৃথিবীর কোনো ক্ষতি হবে না পৃথিবী থেকে এটা অনেকটাই দূর দিয়ে যাবে। ...

ধেয়ে আসছে দু হাজার মাইল দীর্ঘ ধূলো ঝড় সর্তক করে দিল NASA

ছবি
। আফ্রিকার উপকূল থেকে প্রতিবছরই সাহারা মরুভূমির ধুলো ঝড় এসে মানুষের অনেক ক্ষতি করে । সেই মত এই বছরে ও ধূলো ঝড়ের আগমন হয়েছে । কিন্তু এই বছর সেই ধূলো ঝড়টা আরও ভয়ানক হতে চলেছে।  সম্প্রতি নাসার একটি উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ দু হাজার মাইল লম্বা এক ধুলোর ঝড় ধেয়ে আসছে। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ওপরে সেই ধুলোর ঝড় আপাতত অবস্থান করছে। কিন্তু এর লেজের অংশ এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে যদি সত্যিই এটি সাগর পেরিয়ে এসে পড়ে, তাহলে এর আকার হতে পারে প্রায় পাঁচ হাজার মাইল। একটি বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থার আধিকারিক জানিয়েছেন, এ এক অবিশ্বাস্য রকমের ধুলোর ঝড় আসছে।  আবহাওয়া সংস্থার দাবি , ‘‌প্রায় একসপ্তাহ আগে উপগ্রহ চিত্রে প্রথম ধরা পড়ে যে আফ্রিকার উপকূল থেকে ধুলোর ঝড় আসতে শুরু করেছে। কিন্তু সেই সময়টা প্রায় একসপ্তাহ আগে। এখনও সেই ঝড়ের শেষ অংশ উপকূলেই রয়েছে। তার মানে এটি আকারে মারাত্মক বড়। এভাবে যদি এর গতিপথ থাকে, তাহলে এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অংশে তাণ্ডব চালাতে পারে। বিশেষত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন সেই মানুষেরা, যাঁদের নিঃশ্বাসের কষ্ট রয়েছে। সাধারণত, মরু অঞ্চলের উষ্ণ বায়ু দ্রুত গতিতে ধুলো ও...